অ্যাটিক্যাল লিখা ও ফর্মেটিং করার বেসিক নিয়ম

আর্টিকেল , পোস্ট বা কনটেন্ট যেটাই বলা যাক , শুধু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লিখে গেলেই চলবে না।পোস্ট বা আর্টিকেলটিকে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য কিছু নিয়ম কানুন আছে। এখন পর্যন্ত আর্টিকেল লিখার নিয়ম কানুন সম্পর্কে আমি যা যা শিখতে পেরেছি সেগুলো নিয়ে আপনাদের সাথে আর আলোচনা করব।



আপনারা যারা আর্টিকেল লিখতে চান কিন্তু আর্টিকেল লিখার মৌলিক বিষয় বা নিয়মকানন গুলো সম্পর্কে জানেন না, আশা করছি আজকের এই পোস্টটি করলে আপনারা আর্টিকেল লেখার বিষয়ে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। এই তথ্যগুলি জানা থাকলে ভবিষ্যতে আপনার আর্টিকেল লিখার সময় অনেক সাহায্য করবে।

সূচিপত্রঃআর্টিকেল লিখা সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে যা যা শিখেছি

  • ফোকাস কিওয়ার্ড
  • ফোকাস কিওয়ার্ড কত শব্দের হবে
  • ফোকাস কিওয়ার্ড কতবার ব্যবহার করতে হবে
  • ভূমিকা
  • মূল পোস্ট বা আর্টিকেল
  • ফরমেটিং কখন করব
  •  প্যারা কয় লাইনের হবে
  • একটি প্যারা লেখার পর কতটা স্পেস দিতে হবে
  • ফিচার ইমেজ কোথায় , কিভাবে যুক্ত করব
  • সূচিপত্র কেন রাখব
  • সূচিপত্রে লিংক কিভাবে যুক্ত করব
  • হেডিং এর সাইজ কিভাবে বড় করব
  • ভূমিকা বাটন ও ডাউনলোড বাটন কিভাবে যুক্ত করব
  • পোষ্টের ভেতরে কোন ইমেজ গুলো আমরা ব্যবহার করতে পারব
  • অন্যের ওয়েবসাইট থেকে কিছু কপি করা যাবে কিনা
  • অন্যের ওয়েবসাইট থেকে কোন তথ্য কপি করতে হলে করণীয়
  • আরো করুন কেন যুক্ত করব
  • সূচিপত্র ও আরো পড়ুন অপশনটি কি করে ডিজাইন করব

ফোকাস কিওয়ার্ড

আর্টিকেল লিখার শুরুতেই আমাদের যে জিনিসটা প্রয়োজন হবে, সেটি হল ফোপাস কিওয়ার্ড। এই ফোকাস কিওয়ার্ড হলো একটি পোস্ট বা আর্টিকেলের প্রাণ বা হৃদপিণ্ড। পোষ্টের বেশিরভাগ ভিউ আসে গুগল থেকে ,আমরা যদি ফোকাস কিওয়ার্ড না রাখি তাহলে গুগলের এসিও রেংকিংয়ে আমাদের পোস্টগুলো আসবেনা। একটি পোস্ট লেখা শুরুর আগে আমাদেরকে ফোকাস কিওয়ার্ড নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। যে বিষয়ে আমরা লিখছি সে বিষয়ে কি লিখে মানুষ সার্চ দিতে পারে সব সর্বপ্রথমে আমাদের সে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে। আমরা যে বিষয়ে পোস্ট লিখব সে বিষয়টি লিখে যদি গুগলে বা বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে ,সার্চ দিই তাহলে আমরা এই বিষয়ের উপরে অনেকগুলো ফোকাস কিওয়ার্ড পেয়ে যাব।

ফোকাস কিওয়ার্ড কত শব্দের হবে

পোস্ট লেখার শুরুতেই আমাদের সামনে টাইটেল লেখা আসে। এই টাইটেলের জায়গাতেই আমাদেরকে ফোকাস কিওয়ার্ড রাখতে হয়। কি ওয়ার্ড সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকি,

  • শর্ট টেল কিওয়ার্ড
  • লং টেল কিওয়ার্ড

যে কিওয়ার্ড গুলোতে দুইটি শব্দ থাকে সেটাকে , শর্ট টেল কিওয়ার্ড বলে। আর যেটাতে দুইয়ের বেশি শব্দ থাকে সেটিকে লং টেল কিওয়ার্ড বলে। আমাদেরকে সব সময় লং তেল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। কিওয়ার্ড টি যদি শর্ট টেল বা দুই শব্দের হয় তাহলে সেটার সাথে সাব কিওয়ার্ড যুক্ত করে লং তেল কিওয়ার্ড বানাতে হবে। আমরা ফোকাস কিওয়ার্ড চেষ্টা করব ৭ থেকে ১১ শব্দের মধ্যে রাখা।

ফোকাস কিওয়ার্ড কতবার ব্যবহার করতে হবে 

ফোকাস কিওয়ার্ড টি শুধু পোস্টের শুরুতে বা টাইটেলে একবার লিখে রাখলে চলবে না। পুরো পোস্ট জুড়ে ফোকাস কিওয়ার্ড টি কম করে দশবার ব্যবহার করতে হবে। এই দশবার এর মধ্যে শুরুর দিকে বা ভূমিকার মধ্যেই দুইবার রাখতে হবে, আর বাকি আটবার পুরো পোস্ট জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় রাখতে হবে। এই দশবার ফোকাস কিওয়ার্ড খালি যেখানে সেখানে ব্যবহার করে দিলেই চলবে না, ফোকাস কিওয়ার্ড টিকে অবশ্যই বাক্যের সাথে মিল রেখে লিখতে হবে।

ভূমিকা

ভূমিকা কে বলা হয় একটি পোস্টের প্রাণ বা হৃদয়। পোষ্টের শুরুতেই যে কয়েক লাইন লেখা থাকে সেটাকে আমরা ভূমিকা বলে থাকি। ভূমিকা কে বেশি বড় করা যাবে না তিন থেকে চার লাইনের মধ্যে ভূমিকা রাখতে হবে। এবং এই তিন লাইনের মধ্যে পুরো পোস্টের সারমর্মটি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে। যাতে একজন পাঠক আমাদের সাইটে এসে ভূমিকাটি পড়েই আমাদের পুরো পোস্টটি করার জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠে।

আরো পড়ুনঃ অ্যার্টিক্যাল লিখার প্র্যাকটিক্যাল নিয়ম

ভূমিকাটি যদি আমরা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে না পারি বা আমাদের পোস্ট সম্পর্কে পাঠককে প্রাথমিক ধারণা না দিতে পারি তাহলে পাঠকরা আমাদের পোস্ট না পড়েই ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে যাবে। সেই জন্য আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে ভূমিকাটি যাতে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় হয় এবং আমরা আমাদের পুরো পোস্ট সম্পর্কে একটা ধারণা ভূমিকার মধ্যেই পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে পারি।

মূল পোস্ট বা আর্টিকেল

ভূমিকা লিখা হয়ে গেলে আমরা এবার মূল পোস্ট লিখতে শুরু করব। এবং মূল পোস্টটি লিখার সময় কোনোরকম ফরম্যাটিং করবো না। আর্টিকেল লেখা শুরু করে একদম শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহকারে লিখাটি শেষ করে নিব।

ফরমেটিং কখন করব

মূল পোস্ট বা মূল আর্টিকেলটি যখন আমাদের সম্পূর্ণ লেখা শেষ হয়ে যাবে, তারপর আমরা যেসব জায়গাতে ফরমেটিং করা প্রয়োজন , সেই জায়গাগুলোতে ফর্মেটিং করব। ফরমেটিং করার জন্য আমাদের পোস্ট লেখার পেজের উপরে যেই ছোট ছোট আইকন গুলো আছে সেগুলো ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ফরমেটিং করতে পারব।

প্যারা কয় লাইনের হবে

পোস্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় আমরা ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে করে লিখব, এই ছোট ছোট ভাগ গুলোকে বলা হয় প্যারা। আমরা একসাথে অনেক বড় প্যারা তৈরি করব না। যদি আমরা বড় বড় প্যারা তৈরি করি তাহলে, গুগলের রোবট যখন আমাদের সাইটটি পরিদর্শন করতে আসবে তখন এটিকে সে ভালো পোস্ট বা আর্টিকেল মনে করে না। সেই জন্য আমরা চেষ্টা করব ছোট ছোট প্যারা তৈরি করতে। আমাদের প্যারাগুলা যদি বড় হয়ে যায় তাহলে প্যারাগুলোকে দুই ভাগে বিভক্ত করে দিব । একটা পেড়াতে পাঁচ লাইনের বেশি যেন না থাকে।

প্যারা লেখার সময় কতখানি স্পেস দিবে

আমাদেরকে যেহেতু চার পাঁচ লাইনে প্যারা তৈরি করতে হবে সে ক্ষেত্রে একটা প্যারা শেষ হলে একটু স্পেস দিয়ে আর একটা প্যারা শুরু করা উচিত। আমরা অনেকেই পোস্ট লিখার সময় একটা প্যারা শেষ করার পর দুই তিনটা স্পেস দিন এবং তারপর পরের প্যারাটে লেখা শুরু করি। এমনটি করলে পোস্টটি দেখতে খুব একটা ভালো লাগে । আমাদের উচিত একটা প্যারা শেষ করে মাত্র একবার ইন্টার বাটান প্রেস করে পরের প্যারাটি লেখা শুরু করা।

ফিচার ইমেজ কোথায় , কিভাবে যুক্ত করব

ফিচার ইমেজ আমাদের পোস্টের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ । এই ফিচার ইমেজ দেখেও পাঠকরা অনেক সময় আগ্রহী হয়ে আমাদের পুরো পোস্টটি পড়ে। তাই আমাদের উচিত পোস্টটির শুরুতে একটি আকর্ষণীয় যুক্ত করা । ফিচার ইমেজটি অবশ্যই আমাদের আর্টিকেল এর সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। ফিচার image আমরা ভূমিকার পরে ও সূচিপত্রের উপরে রাখবো

ফিচার ইমেজ দুইভাবে যুক্ত করা যায়। আমরা আমাদের পিসি বা ডেস্কটপে থাকা যেকোন পিকচার আপলোড করতে পারি। আবার অন্য কোথাও থেকে পিকচারের লিংক এড্রেস বসিয়েও ফিচার ইমেজ যুক্ত করতে পারি। ফিচার ইমেজ যুক্ত করার জন্য, উপরে থাকা ইমেজের আইকনে যাব। ইমেজ সিলেক্ট করে এরপর ফাইলে গিয়ে ওপেন করব তারপর সিলেক্ট অপশনে ক্লিক করব এবং ফটো আপলোড হয়ে গেলে সেটির সাইজ ঠিক করে নেব।

আরো পড়ুনঃ অ্যার্টিকাল লিখার এডভান্স নিয়ম

আমরা যদি অন্য কোথাও থেকে ইমেজের লিঙ্ক কপি করে পোষ্টের ভিতরে ইমেজ আপলোড দিতে চাই তাহলে আমাদের যে কাজটি করতে হবে, প্রথমে আমাদেরকে ইমেজে আইকনে যেতে হবে। আইকনে ঢোকার পর  Uplode from computer না গিয়ে আমাদেরকে যেতে হবে By url অপশনে ।

ডাউনলোড ছাড়া আমরা যদি কোন ছবি পোস্ট এর ভেতরে আপলোড দিতে চাই ফিচার ইমেজ  হিসেবে, তাহলে আমাদেরকে যে কাজটি করতে হবে প্রথমে আমাদের ইমেজে আইকনে যেতে হবে তারপর Uplode from computer এ না গিয়ে আমাদেরকে নিচে থাকা By url অপশনে যেতে হবে। এখানে যাওয়ার পরে আমরা যেই ইমেজের লিংক এড্রেসটি কপি করেছি সেই এড্রেসটি এখানে পেস্ট করতে হবে। লিংকটি দেওয়া হয়ে গেলে সিলেক্ট অপশনে ক্লিক করব, তাহলেই সেই ইমেজটি আমাদের পোস্টের ভেতরে আপলোড হয়ে যাবে।

সূচিপত্র কেন রাখবে

আমাদের পোষ্টের আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সূচিপত্র। পোস্টের ভেতরে আমরা সঠিক পত্র এই কারণে রাখবো, সূচিপত্র রাখলে  পাঠকরা যে জিনিসটা জানতে চাই সেটি আমাদের পোস্টে আছে কিনা, যদি থাকে তাহলে পোষ্টের কোন অংশে আছে, এ বিষয়গুলো তারা খুব সহজেই পেয়ে যাবে। এবং সূচিপত্র থাকলে আমাদের পোস্টটি দেখতে অনেক সুন্দর বা আকর্ষণীয় হয়ে।

সূচিপত্রে লিংক কিভাবে যুক্ত করব

আমরা যদি চাই, সূচিপত্রের বিষয়গুলোর উপর চাপ দিলে যেই বিষয়ের উপর ক্লিক করা হয়েছে, সেই অংশটুকু সরাসরি আমাদের সামনে চলে আসবে, তাহলে আমাদেরকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো। সূচিপত্রের ভেতরে আমাদেরকে লিংক যুক্ত করে দিতে হবে। এই লিংক যুক্ত করার জন্য আমাদেরকে আইডি নম্বর ব্যবহার করতে হবে। এই আইডি নম্বর যুক্ত করার জন্য আমাদেরকে চলে যেতে হবে আমাদের পোষ্টের HTML অপশনে । 

এখানে আসার পরে আর্টিকেলের ভেতরে আমরা যেই প্যারাগুলোর হেডলাইন তৈরি করেছি সেগুলোর সামনে একটি করে আইডি নম্বর যুক্ত করে দিতে হবে। আইডি নম্বরগুলো যুক্ত করার জন্য, আমাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে পোষ্টের ভেতরে থাকা হেডিংগুলো। এই হেডিং গুলো সহজে খুঁজে বের করার জন্য বা কোন হেডিং এর আইডি নম্বর কত সেই সিরিয়াল মেন্টেন করার জন্য, আমরা প্রথমেই পোষ্টের হেডিং এর সামনে ১, ২, ৩ এমনি করে নম্বর বসিয়ে নিতে পারি।এই নম্বরগুলো কপি করে আমরা যদি Html অপশনে গিয়ে Ctrl+f  দিয়ে সার্চ করি তাহলে খুব সহজেই আমরা হেডিং এর জায়গা গুলো পেয়ে যাব।

আমাদের কাঙ্ক্ষিত হেডিংগুলো সামনে আসলে আমরা এর সামনে থাকা হেডলাইন ট্যাগ বা h2 ট্যাগের ভেতরে id="1" এইভাবে আমাদের যতগুলো হেডিং আছে সবগুলোর সামনে আইডি নম্বর যুক্ত করে দিব। আইডি নম্বরগুলো যুক্ত করা হয়ে গেলে আমাদেরকে পোষ্টের কম্পোস্ট বিয়ের ভেতরে চলে আসতে হবে। এরপর সূচিপত্রে থাকা বিষয়গুলো একটা একটা করে সিলেক্ট করে উপরে থাকা লিংক এর আইকনে প্রবেশ করতে হবে এবং এখানে যেই বিষয়ের জন্য যে আইডি নম্বর আমরা পোস্টের এইচটিএমএল এর ভেতরে ব্যবহার করেছি সেগুলো লিংকের জায়গায় এই আইডি গুলো বসিয়ে দিয়ে এপ্লাই করতে হবে। তাহলে সূচিপত্রে লিংক যুক্ত হয়ে যাবে।

 হেডিং এর সাইজ কিভাবে বড় করব

আমাদেরকে পোস্টের ভেতরে ঢাকা হেডিংগুলোকে একটু বড় এবং মোটা অক্ষরে লিখতে হবে, এই কাজটি করার জন্য আমাদের পুরো পোস্টটি লিখা  হয়ে গেলে যে অংশটুকু আমাদের পোস্টের হেডিং হবে , সে অংশটুকু কে সিলেক্ট করে উপরে থাকা প্যারাগ্রাফ অপশনে ভেতরে গিয়ে হেডিং সিলেক্ট করতে হবে। প্যারাগ্রাফ এর পাশে টেক্সট আইকনটি আছে এর ভেতরে গিয়ে লার্জেস্ট অপশনটি সিলেক্ট করে দিলেই আমাদের প্যারাগ্রাফ হেডিং গুলোর সাইজ বড় হয়ে যাবে।

ভূমিকা বাটন ও ডাউনলোড বাটন কিভাবে যুক্ত করব

পোস্টের শুরুতে বা ভেতরে ভূমিকা লিংক বা ডাউনলোড লিংকগুলো যদি আমরা রাখতে চাই, তাহলে সেগুলোকে লিংক আকারে না রেখে আমরা যদি বাটান আকারে রাখি রাখি তাহলে এগুলো দেখতে নরমাল লিংকের চেয়ে অনেক সুন্দর আকর্ষণীয়। এই কাজটি করার জন্য আমাদের পোষ্টের Html অংশে কিছু কোড ব্যবহার করতে হবে  <a href="https://ordinaryit.com"><button class="btn btn-block btn-raised btn-secondary">বিস্তারিত জানতে এখানে চাপ দিন</button></a>

এই কোডটি ব্যবহার করে আমরা ভূমিকা বাটন বা ডাউনলোড বাটন যুক্ত করতে পারবো। কোডের ভেতরে লিংকের জায়গায় আমরা যেই পোস্টের লিংক দেখাতে চাই সেই পোস্টের লিংকটি এবং বিস্তারিত জানতে এই জায়গাটিতে আমরা যা লিখব সেটাই আমাদের ভূমিকা বাটন বা ডাউনলোড বাটন এ শো করব।

পোষ্টের ভেতরে কোন ইমেজ গুলো আমরা ব্যবহার করতে পারি

সব জায়গার সব ছবি আমরা পোস্টের ভেতরে ব্যবহার করতে পারব না। আমরা যদি এমনটি করি তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে হয়তো কপিরাইট নীতি বিরোধী অভিযোগ আসতে পারে। সেই জন্য আমরা কোন ছবি আপলোড দেওয়ার আগে সেগুলো ফ্রী ইমেজ কিনা দেখে নিতে হবে। ফ্রী ইমেজ গুলো ব্যবহারের জন্য আমাদেরকে যে ধরনের ছবি আমরা চাচ্ছি সেটি লিখে গুগলে সার্চ দিতে হবে , এবার ইমেজে এর ভেতরে ঢুকে ডান দিকে থাকা tools এর ভেতরে গিয়ে user rights এর ভেতরে থাকা creative common liceance এর আন্ডারে যে ইমেজগুলো সেগুলো আমরা ব্যবহার করতে পারব।

অন্যের ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু কপি করা যাবে কিনা

আমরা পোস্ট লিখার সময় অন্যের ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছুই কপি করতে পারব না। তবে হ্যাঁ আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘুরে ঘুরে যেই বিষয়ে নিয়ে আমরা লিখব সেটা সম্পর্কে ধারণা নিতে। সেখান থেকে ধারণা নিয়ে আমাদেরকে নিজের মতন করে লিখতে হবে। যদি আমরা অন্যের ওয়েবসাইট থেকে কপি করে নিয়ে আসি এবং সেই ওয়েবসাইটের মালিক যদি সেটি জানতে পারে তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে হয়তো কপিরাইট আইনে মামলা দিতে পারে। আর কপিরাইট আইনে অভিযুক্ত হওয়া মানে সরাসরি জেল।

অন্যের ওয়েবসাইট থেকে কপি করতে হলে করণীয়

অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে যদি একান্তই আমাদের কিছু কপি করার প্রয়োজন পড়ে কোন সময়, তাহলে আমাদেরকে যে কাজটি করতে হবে কপি করা অংশটুকু কোন ওয়েবসাইটের সেটি উল্লেখ করে দিতে হবে। এতে ওয়েবসাইটের মালিক যখন দেখবে যে তার ওখান থেকে কপি করা কিন্তু তার ওয়েবসাইটের নাম উল্লেখ করা তখন ওয়েবসাইটের মালিক খুশি থাকবে, এবং আমাদের উপরে তথ্য চুরির অভিযোগ দিতে পারবেনা।

আরো পড়ুন অপশনটি কেন যুক্ত করব

আমাদের মূল লক্ষ্য হল ওয়েবসাইটে পাঠকরা আসবে এবং বেশিক্ষণ আমাদের ওয়েবসাইটে স্থায়ী হবে।
আর এই কাজটির জন্য আরো পড়ুন অপশনটি আমাদের সাহায্য করবে । আরও পড়ুন সেকশনে আমরা যদি অন্য কোন পোষ্টের লিংক দিয়ে দিই আর সেটা যদি পাঠকরা পড়ার প্রয়োজন মনে করে তাহলে সেই লিংকটিতে গিয়ে পোস্ট করা পড়বে এবং আমাদের সাইটে আরো বেশি সময় অবস্থান করবে।

সূচিপত্র ও আরো পড়ুন অংশটি কি করে ডিজাইন করব

সূচিপত্র ও আরো করুন অংশটি দেখতে আকর্ষণীয় করে ওঠানোর জন্য আমরা একে একটু ডিজাইন করতে পারি। এ কাজটি করার জন্য আমাদের পোস্টের এইচটিএমএল অংশে যেতে হবে।Html অংশে যেয়ে সূচিপত্রের আগে যে ul ট্যাগ আছে তার ভেতরে  class="alert info" কথাটি লিখে দিলেই আমাদের সূচিপত্রে এবং আরো পড়ুন অংশটুকু একটা নীল কালারের মধ্যে ডিজাইন হয়ে যাবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন

comment url