ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা - ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে

আমরা সাধারণত ডাবের পানি গরমের স্বস্তি পাওয়ার জন্য পান করে থাকলেও , শুধু তীব্র গরমে শরীর ও মনকে প্রশান্তি দিতে নয় ডাবের পানির রয়েছে বিশেষ কিছু উপকারিতা। তবে ডাবের পানির উপকারিতা অনেক থাকলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর রয়েছে বিশেষ কিছু অপকারিতা। অনেকে আবার জানতে চান ,ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে ? তাই এই পোস্টের মাধ্যমে আজকে আমরা আলোচনা করব ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা এবং ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে এ বিষয় সম্পর্কে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো ধারণা করতে পারবেন না , যে ডাবের পানির ভেতরে কত উপকারীতা রয়েছে। তাই নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা আপনি পেতে পারেন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানাতে আজকে আমরা আলোচনা করব ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা এবং ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে এই বিষয়ে দুটির পাশাপাশি ডাবের পানি খাওয়ার নিয়ম এবং ডাবের পানির অপকারিতা সম্পর্কে। ডাবের পানি সম্পর্কিত এই সকল তথ্যগুলো বিস্তারিত ভাবে জানতে হলে অবশ্যয় ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা - ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে নামক এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। কারণ এই পোস্টটি করলে আপনি ডাবের পানির উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারবেন।

সূচিপত্রঃ ডাবের পানির উপকারিতা - ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে

ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা

ডাবের পানি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি পানীয়। সাধারণত তীব্র গরমে একটু স্বস্তি পেতে আমরা ডাবের পানি বেশি বেশি পান করলেও ডাবের পানির যে অসাধারণ কিছু উপকারিতা রয়েছে তা আমাদের মধ্যে অনেকেরই অজানা। তাই আজকে আমরা ডাবের পানির উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব এবং জানবো ডাবের পানির উপকারিতা গুলো। তাহলে চলুন আর দেরি না করে ডাবের পানির উপকারিতা গুলো বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক। আজকে আমরা ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা সম্পর্কে জানব। নিচে একে একে ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা গুলো তুলে ধরা হলো,

শরীরের খনিজ উপাদানের  চাহিদা পূরণ করেঃ ডাবের পানির ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনির উপাদান এবং ভিটামিন। ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট , ক্যালরি , শর্করা ,ক্যালসিয়াম , ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম , ফসফরাস , ফাইবার এবং ভিটামিন সি। তাই নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে শরীরে বিভিন্ন খনিজ উপাদান গুলো ঘাটতি পূরণ হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ ডাবের পানি পান করার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান গুলোর ঘাটতি পূরণ হয় , শরীরের খনিজের ঘাটতি না থাকায় এটি আমাদের শরীর সুস্থ সবল এবং কর্মক্ষম  রাখে। এছাড়াও ডাবের পানির ভেতরে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করুন। 

পানি শূন্যতা দূর করেঃ ডিহাইড্রেশন বা পানি শূন্যতা দূর করতে ডাবের পানি জুড়ি নেই। ডাবের পানির ভেতরে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরের শক্তি বাড়াতে এবং পানি শূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। যে কোন কারনে শরীরে যদি ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে ডাবের পানি খুব দ্রুত এবং কার্যকরী ফল প্রদান করতে পারে।
হজম শক্তি বাড়ায়ঃ ডাবের পানি পান করলে পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে কারণ ডাবের পানি ভেতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আর এই ফাইবার আমাদের হজম প্রক্রিয়ার বিশেষ সাহায্য করে এবং হজম শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে। হজম শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ডাবের পানি পেটের এসিডিটির মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকেঃ ডাবের পানিতে কোন ফ্যাট বা চর্বি থাকে না এবং এই পানিটি আমাদের শরীরের শর্করার মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এছাড়া ও ডাবের পানি খেলে ক্ষুধা কম লাগে যার ফলে অতিরিক্ত খাবার প্রবণতা থাকে না এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে মূলত ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার গুলো না খাওয়ার কারণ, ডাবের পানিতে যেহেতু প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে তাই এই পানিওটি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ ডাবের পানি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করতে পারে কারণ ডাবের পানিতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম , পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি জাতীয় উপাদান যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি ডাবের পানির ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতেও ভূমিকা রাখে , কারণ আমরা আগেই জেনেছি ডাবের পানি ভেতরে থাকা উপাদান গুলো আমাদের শরীরের শর্করার মাত্রা কে রাখতে পারে। আর শরীরের শর্ট করার মাত্রা নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে থাকার কারণে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
ইউরিন ইনফেকশন দূর করেঃ ডাবের পানির ভেতরে থাকা উপাদান গুলো ইউরিন ইনফেকশন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত ডাবের পানি পানের ফলে ইউরিন ইনফেকশন দূর হয়।
হার্ট ভালো রাখেঃ ডাবের পানি পান করলে এটি আমাদের হার্ড সুস্থ রাখতে হলেও সাহায্য করে। ডাবের পানির ভেতরে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যার ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কম হয়। এছাড়াও শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর মাধ্যমে ডাবের পানি আমাদের হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।
কিডনি ভালো থাকেঃ নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে ,পানীয়টি আমাদের কিডনি ভালো রাখতেও সাহায্য করে। ডাবের পানি পান করার ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কম হয়। এছাড়াও কিডনির যেকোন সমস্যা দূরে রাখতে ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী।
শরীর কর্মক্ষম রাখেঃ ডাবের পানির ভেতরে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম , পটাশিয়াম , ফাইবার ,শর্করা এবং মিনারেল যা শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে বিষের সাহায্য করে। এছাড়াও ডাবের পানি স্যালাইনের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
হাড় ও দাঁত শক্ত করেঃ ডাবের পানির ভেতরে থাকা ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের হাড় এবং দাঁত শক্ত করতেও সাহায্য করে।হাড় ও দাঁত শক্ত করতে এবং হাড় ও দাঁত ভালো রাখতে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম অত্যন্ত জরুরী আর এই দুইটি উপাদানে ডাবের পানির ভেতরে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
শরীর ঠান্ডা রাখেঃ ডাবের পানির ভেতরে থাকা উপাদান গুলো আমাদের শরীরের আদ্রতা ধরে রাখে এবং আমাদের শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এ কারণেই তীব্র গরমের সময় ঘন ঘন ডাবের পানি পান করলে স্বস্তি পাওয়া যায়।
ত্বকের যত্ন নিতেঃ যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী।ডাবের পানি শুধু পান করলেই স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায় না ত্বকের উপরে বাহ্যিক ব্যবহারেও এর উপকারিতা রয়েছে। ত্বকের ইনফেকশন জাতীয় সমস্যা গুলো দূর করতে ডাবের পানি বিশেষ উপকারী। এছাড়াও তৈলাক্ত , শুষ্ক বা সেনসিটি যেকোনো ধরনের ত্বকের যত্ন নিতে ডাবের পানির উপকারিতা পাওয়া যায়। নিয়মিত ত্বকের ডাবের পানি ব্যবহারের ফলে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে এটি সাহায্য করে।
ব্রণের সমস্যা দূর করেঃ এন্টি ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে ডাবের পানির ভেতরে, আর এ কারণে ব্রণের সমস্যা দূর করতেও ডাবের পানি বিশেষ সাহায্য করে। যাদের মুখে অতিরিক্ত ব্রণ রয়েছে তারা নিয়মিত মুখের ডাবের পানি ব্যবহার করলে অর্থাৎ ডাবের পানি ব্রণের উপরে লাগালে দ্রুত ব্রণের সমস্যা দূর হয়।
মুখের কালো দাগ দূর করেঃ মুখের যে কোন ধরনের কালো দাগ দূর করতে ডাবের পানির উপকারিতা অনেক। অধিকাংশ মানুষের মুখে সানবার্ন সহ চিকেন পক্সের দাগ , ব্রণের দাগ অন্য যেকোনো দাগ দূর করতে নিয়মিত মুখে ডাবের পানি ব্যবহারে অত্যন্ত ভালো ফল পাওয়া যায়। মুখের দাগ দূর করতে নিয়মিত ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধুলে দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চেহারার গ্লো বৃদ্ধি পায়।

ডাবের পানি খাওয়ার নিয়ম

এতক্ষন আমরা ডাবের পানির অনেক উপকারিতার কথা জানলাম এবার চলুন জেনে নেয়া যাক ,ডাবের পানি খাওয়ার নিয়ম। কোন কোন সময় ডাবের পানি পান করলে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে সে বিষয়ে জেনে রাখা দরকার। তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক ডাবের পানি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে। সর্বোচ্চ উপকারিতা পাওয়ার জন্য আপনি ডাবের পানি খেতে পারেন ,

সকালে খালি পেটেঃ ডাবের পানি পান করার সবচেয়ে ভালো সময় হলো সকালে খালি পেটে। সকালে খালি  পেটে ডাবের পানি পান করলে হযম প্রক্রিয়ার উন্নতি এবং  কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার পাশাপাশি পানি শূন্যতা দূর করতেও বিশেষ সাহায্য করে।

ঘুমানোর আগেঃ রাতে ঘুমানোর আগে ডাবের পানি পান করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায় ।যদি রাতে ঘুমানোর আগে ডাবের পানি পান করা হয় তাহলে এ পানই আমাদের শরীর থা কে বর্জ্য পদার্থ গুলো বের করে দিতে সাহায্য করে ,অনিদ্রা ও হতাশা  দূর করেতেও সাহায্য করে।

শরীরচর্চার আগেঃ ডাবের পানি পান করুন শরীরচর্চার আগে কারণ শরীরচর্চার আগে দাবের পানি পান করলে এটি আপনার শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে।

খাবার খাওয়ার আগেঃ খাবার খাওয়ার আগে অথবা পরে যদি ডাবের পানি পান করা যায় তাহলে  আমাদের পেট ভরে থাকবে এবং অতিরিক্ত খাবার প্রবণতা কম হবে আর অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার কারণে ওজন কমাতেও একটি সাহায্য করবে।

আরো পড়ুনঃ খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

শরীরে ক্লান্তি অনুভব হলেঃ যখনি ক্লান্তি অনুভব হবে,পান করুন ঠান্ডা ডাবের পানি। ডাবের পানি দ্রুত আপনার শরীরের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে চাঙ্গা এবং কর্মক্ষম করে তুলতে সাহায্য করবে। ডাবের পানি শুধু ক্লান্তি নয় মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। তাই যখন মানসিক চাপে থাকবেন বা মানসিক অবসাদের ভুগবেন তখন ডাবের পানি পান করতে পারেন।

ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে

অনেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানতে চান , আর সে প্রশ্নটি হল ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে ? বর্তমানে অনিয়মতান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থা এবং ফরমালিনযুক্ত ও প্রসেসফুড খাওয়ার কারণে উচ্চ রক্তচাপের রোগী ব্যাপক হারে বাড়তে দেখা যায় তাই অবশ্যই , ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে ? এই প্রশ্নের উত্তরটি জেনে রাখা উচিত।তাই সঠিকভাবে জেনে নেওয়া যাক ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে এর উত্তর।

ডাবের পানির ভিতরে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম , পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি আর এই উপাদান গুলো উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে থাকে। তাই প্রেসার এর রোগীরা ডাবের পানি পান করলে এতে উচ্চ রক্তচাপ বাড়বে না বরঞ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে যারা লো প্রেসার এর রোগী রয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ডাবের পানি পান না করাই ভালো , কারণ আপনারা জানেন ডাবের পানি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য সুতরাং লো প্রেসারের রোগীরা ডাবের পানি পান করলে রক্তচাপের মাত্রা অতিরিক্ত কমে গিয়ে সমস্যা তৈরি করতে পারে। সুতরাং বুঝতেই পারছি না উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা নির্দ্বিধায় ডাবের পানি পান করতে পারেন এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে তবে লো প্রেসারের রুগীদের ডাবের পানি পান না করাই ভালো। আশা করছি , ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে এ প্রশ্নের উত্তরটি পেয়েছেন।

ডাবের পানির অপকারিতা

এতক্ষণ ধরে আমরা ডাবের পানির অনেক উপকারিতা কথা জেনেছি এবং বিভিন্ন উপকারিতার মধ্যে ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। কিন্তু  এত গুণ বা উপকারিতা থাকার পরেও ডাবের পানি খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে হবে কারণ ডাবের পানির অপকারিতা রয়েছে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে। তাই নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই ডাবের পানি অপকারিতা গুলো ভালোভাবে জেনে নিন।

ডাবের পানিতে চর্বি এবং চীনের পরিমাণ কম থাকলেও এই পানিতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে , তাই যারা ওজন কমাতে চান বা ডায়েটে আছেন তারা ডাবের পানি খাওয়া এড়িয়ে চলবে কারণ যাদের পানি ক্যালোরির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে আপনার ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারে।

ডাবের উপকারিতার মধ্যে আমরা আগে জেনেছি যে ডাবের পানি কিডনি রোগ দূরে রাখতে সাহায্য করে। তবে আগে থেকে যারা কিডনি রোগে ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে ডাবের পানি পান না করাই ভালো কারণ অলরেডি যারা কিডনি রোগী তারা ডাবের পানি পান করলে এতে শরীরের ক্ষতি হতে পারে এমনকি কিডনি অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।

আরো পড়ুনঃ মধু খাওয়ার উপকারিতা

ডাবের পানি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করলেও যারা অতিরিক্ত উচ্চ রক্তচাপের রুগী রয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ডাবের পানি এড়িয়ে চলাই ভালো কারণ ডাবের পানিতে সোডিয়াম থাকায় এটি অতিরিক্ত উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে। এছাড়াও যাদের রক্তচাপ কম তারা ডাবের পানি এড়িয়ে চলুন ।

মন্তব্য, এই পোস্টে আমরা  ডাবের পানির ১৭টি উপকারিতা ও ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে তা জেনেছি।ডাবের পানির অনেক উপকারিতা থাকলেও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এর কিছু অপকারিতা রয়েছে।তাই ডাবের পানি পানের আগে সতর্কতা অনুসরণ করবেন। মনে রাখবেন শুধু ডাবের পানি নয় , উপকারী বলে কোন কিছুই মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া ঠিক না। আশা করছি ডাবের পানির উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে জেনে আপনি উপকৃত হয়েছেন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন

comment url